1. bangladeshbartatelevision@gmail.com : admin :
  2. ridoyhasanjoy@gmail.com : Reporter-1 :
  3. journalistrhasan@gmail.com : Reporter-2 :
  4. bangladeshbarta1@gmail.com : Reporter-3 :
  5. abdullah957980@gmail.com : Ramjan Bhuiyan : Ramjan Bhuiyan
প্রধান খবর
বাংলাদেশ বার্তার জীবননগর প্রতিনিধি পারভেজ সুমন’র ইন্তেকাল ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে ফেইসবুকে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট দেয়ার প্রতিবাদে কোম্পানীগঞ্জে মানববন্ধন চাঁদপুরে ১০৯টি পরিবার সহ প্রধানমন্ত্রীর ঘর উপহার পেল ৫৩ হাজার পরিবার শাহরাস্তিতে ৩০ পরিবার পেল প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর চরভদ্রাসনে ভূমিহীনদের মাঝে ঘরের চাবি ও জমির দলিল হস্তান্তর চরভদ্রাসনে গলায় তার পেচিয়ে যুবকের আত্ম্যহত্যা নওগাঁয় দ্বিতীয় পর্যায়ে বাড়ি পেলো ৫০২টি ভূমিও গৃহহীন পরিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২০ জাতের আম বিদেশে রপ্তানি নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী ব্যক্তিদের কঠর হস্তে দমন করা হবে-বরিশালে পুলিশ কমিশনার চর কুকরী মুকরিকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষনা

প্রতিনিয়ত বাড়ছে কাঁচা বাজারের দর হিমসিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ

  • Wednesday, October 21, 2020
  • 111 বার পড়া হয়েছে

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ-

 

 

গত কয়েকদিন যাবৎ বেড়ে চলছে কাঁচা বাজার সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম। বর্তমানে প্রতি কেজি মোটা চাউল বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫২ টাকায়। যা এক মাস আগেও ছিল ৪২-৪৫ টাকা। সেই সাথে বেড়েছে পেয়াজের দাম। বর্তমানে প্রতি কেজি পেয়াজের মূল্য ৯০-১০০ টাকা, আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০-৬০ টাকা, বেগুন ৯০-১০০টাকা, কাচা মরিচ ২০০-২৫০ টাকা, সীম ২৪০ টাকা, করোলা ৮০ টাকা, মিষ্টি লাউ ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেই সাথে বাড়ছে মাছের দাম। এ বিষয়ে রিক্সাচালক মজনু বলেন, ভাই আমরা প্রতিদিন ৩০০-৪০০ টাকা রোজগার করি। বাজারে গিয়ে মাছ কিনতে পারি না কাচা বাজারের মূল্যের কারনে। আমার সংসারে প্রতিদিন ২ কেজি চাউলের প্রয়োজন হয়। যার দাম পড়ে ১০০ টাকা। আমরা খুব কষ্টে জীবনযাপন করছি। কাচা মালের বিক্রেতা মেরাজ বলেন, আমরা আরৎদার থেকে পাইকারী দরে বেশি মূল্যে পন্য ক্রয় করি। যার কারনে আমাদের বেশি মূল্যেই বিক্রি করতে হয়। সেই সাথে রয়েছে বিভিন্ন সমস্যা। যার মধ্যে রয়েছে কাচা মাল পচে যাওয়া। আমরা যদি পাইকারী বাজারে কম মূল্যে পণ্য কিনতে পারি তাহলে খুচরা বাজারেও কম মূল্যে বিক্রি করতে পারব। নারিকেলী গ্রামের কৃষক ছাত্তার বলেন, আমি এক একর জমিতে দুই বার ধান রোপন করেছি। গত বন্যায় সমস্ত ধান নষ্ট হয়ে গেছে। কিভাবে আমি সারাবছর চলব আমার জানা নেই। সেই সাথে প্রতিনিয়ত বাড়ছে বাজারের জিনিসের মূল্য। বাজার করতে পারছি না। আছি খুবই কষ্টে। হাজীপুর বাজারের সবজি বিক্রি করতে আসা কৃষক মনু মিয়া বলেন, বন্যায় আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে যে সবজি রয়েছে তা তুলনামুলক খুবই কম, তবে বাজারে সবজির দাম ভালো রয়েছে।

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর

MD

Customized BY NewsTheme