1. bangladeshbartatelevision@gmail.com : admin :
  2. ridoyhasanjoy@gmail.com : Reporter-1 :
  3. journalistrhasan@gmail.com : Reporter-2 :
  4. bangladeshbarta1@gmail.com : Reporter-3 :
  5. abdullah957980@gmail.com : Ramjan Bhuiyan : Ramjan Bhuiyan
প্রধান খবর
কমলগঞ্জের গৃহবধূর আত্মাহত্যাকে পরিকল্পিত হত্যা দাবী করে পরিবারের থানায় মামলা, আটক-৩ চরভদ্রাসনে প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম নির্মানের ঢালাই কাজের উদ্বোধন মাদারীপুরের কালকিনিতে আবু ত্ব-হা’র নিখোঁজের প্রতিবাদে মানববন্ধন চরভদ্রাসনে দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদের্শাবলী কর্মশালা সম্পন্ন নিজেদের মধ্যে সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি বাড়ান; নিউইয়র্কে সংবর্ধনায় শামীম ওসমান এমপি দুর্গাপুরের সীমান্তবর্তী আদিবাসী গ্রাম গুলোতে মৌসুমী ব্যাধী মারাত্বক আকার ধারন করেছে পঞ্চগড়ে মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম-২০২১ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলন দুমকিতে এবারে ভোটারের কদর বেড়েছে, শেষ মূর্হুতের প্রচারনা তুঙ্গে নাজিরপুরে ২ মালিখালী ইউপি চেয়াম্যানের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার কাহালু তে হাট ইজারাদারকে ছুরিকাঘাত করার ঘটনায় বিএনপি নেতা গ্রেফতার

হিমছড়ির ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তার বেপরোয়া চাঁদাবাজি। মাসিক ইনকাম লাখ লাখ টাকা ।

  • Wednesday, October 21, 2020
  • 83 বার পড়া হয়েছে

 

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ-

 

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের কক্সবাজার রেঞ্জের হিমছড়ি টহল পাড়ি বন বিটের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ রেঞ্জ কর্মকর্তা , তারেক রহমান দিনের পর দিন বনভূমি জবর-দখলের সহযোগিতা এবং বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে অবৈধভাবে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তারেক রহমান , হিমছড়ি টহল ফাঁড়ির দায়িত্বে থাকার পর থেকে গাছপালা ও পাহাড়ের মাটি বিক্রি এবং জবর দখল মিলিয়ে সে প্রত্যেক মাসে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বনভূমিকে উৎস করে। সে হিমছড়ির ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা দায়িত্বে থাকার আগে চাইন্দা ফরেস্ট বিট কর্মকর্তা থাকাকালীন সময়ে , ব্যাপক অনিয়ম ঘুষ গ্রহণ ও চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির মধ্যে জড়িয়ে পড়ে এই তারেক রহমান। ভিলেজার এবং হেডম্যান কে সহযোগী হিসাবে ব্যবহার করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে গেছে চাইন্দা এলাকার বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে , সে সময় ও বেশিরভাগ বনভূমিতে জবরদখলের সহযোগিতা করে সংশ্লিষ্ট এই বন কর্মকর্তা । তবে তারেক রহমানকে বনভূমির চাকরি থেকে বরখাস্ত না করে অদৃশ্যের কারণে আবারো হিমছড়ি টহল ফাঁড়িতে পোস্টিং দেওয়া হয় । এসব বন বিট কর্মকর্তারা যদি বনবিভাগের চাকরিতে বহাল থাকে তাহলে বনভূমি ধ্বংস হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশবাদীরা । এদিকে কক্সবাজার রেঞ্জের সুফল প্রকল্পের 2018 এবং 19 সনের 260 হেক্টর বাগানের জন্য অগ্রিম নার্সারি এবং 2019 এবং 20 সনের 560 হেক্টর বাগান সৃজন করতে 320 হেক্টর নার্সারি মিলিয়ে 5 কোটি টাকা বরাদ্দ দেয় বনবিভাগ কর্তৃপক্ষ । উক্ত বাগান সৃজন এর জন্য বিভাগীয় অফিস থেকে কাজের সব টাকা দেওয়া হলেও এই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমান , কাজের সমপরিমাণ টাকার ভাউচার বিট কর্মকর্তা ও বনমালি ও বন প্রহরীদের কাছ থেকে আদায় করেন। এবং তারেক রহমানের ব্যক্তিগত ডায়েরি হইতে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করার নামে মোট বরাদ্দের 50 ভাগ টাকা কেটে , বাকি টাকা স্বাক্ষর এর মাধ্যমে প্রদান করেন। এবং বাগানের কাজ সমাপ্ত করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা। এছাড়া ও তারেক রহমান, বাহারছড়া এলাকার বন বিভাগের সাবেক ফরেস্ট গার্ড আবুসামা কে ডানহাত হিসেবে ব্যবহার করে কক্সবাজার শহরের যত অবৈধ কাঠের দোকান রয়েছে যেমন, মাঝিরঘাট , কস্তুরাঘাট নাজিরারটেক এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে অবৈধ গর্জন কাঠ চেরাই করে ফিশিং বোট তৈরি করতে সহযোগিতা করে সেখান থেকে 20 থেকে 30 লাখ টাকার উপরে টাকা চাঁদা আদায় করে। বর্তমানে তারেক রহমান লাখ লাখ টাকার মালিক বলে জানা গেছে । এছাড়াও বর্তমান তার কর্মরত হিমছড়ি টহল ফাঁড়ির , বিভিন্ন এলাকা থেকে জমি বিক্রি জবর দখলকারী দের কাছ থেকে লাখ লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য করে যাচ্ছে । হিমছড়ি বিট এর আওতাধীন জাদুঘর এর আগে শম্পান নামের রেস্টুরেন্টের পাশে রফিকুল ইসলাম এক হোটেল কটেজ মালিকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে বন বিভাগের জমিতে তাকে কটেজ তৈরি করার সহযোগিতা করে তারেক । অন্যদিকে হিমছড়ির পেটান আলী ও নাজির আহাম্মদ নামের দুই হেডম্যান ডান হাত ও সহযোগী হিসেবে ব্যবহার করে দিনের পর দিন বিভিন্ন সুপারি বাগান এবং পানের বরজ থেকে মাসিক টাকা আদায় করছে প্রতিনিয়ত। করাচি পাড়ার, জাকির হোসেন বনবিভাগের ঘর তৈরি র পায়তারা করছে তারেক কে ম্যানেজ করে। হিমছড়ি মাঝের পাড়া এলাকায় রশিদ আহমদ এর কাছ থেকেও পাহাড় কেটে এবং পানের বরজ তৈরীর সহযোগিতা করে টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এবং মাঝের পাড়া এলাকায় হুমায়ুন শিকদার নামে জৈনিক ব্যক্তি বৈধ খতিয়ানভুক্ত জমির নামে বন বিভাগের জমি দখল করে বিশাল বাউন্ডারি তৈরি করছে । এতেও হিমছড়ি বিট কর্মকর্তাদের জানার বাকি নেই । এছাড়াও আমতলী পাড়া এলাকায় আমির হোসেন বনভূমিতে গর তৈরি করছে , এবং মধ্যম প্যাঁচার দ্বীপ জাদুঘর এলাকায় সাইফুল ইসলাম নামক এক ব্যক্তির বন বিভাগে ঘর তৈরি করতে সংশ্লিষ্ট হিমছড়ি কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে । ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমান বিগত অনেকদিন আগে হিমছড়ি থেকে কে বদলি হলেও উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে এখনও বহাল তবিয়তে আরু বেপরোয়া হয়ে উঠে । অভিযুক্ত তারেক রহমানকে অনেকবার বক্তব্যে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও মোটু ফোন রিসিভ না করার কারণে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। হিমছড়ি পুরো বন বিভাগ এলাকা ঘোরাফেরা করলেন আরো এরকম হাজারো অনিয়ম-দুর্নীতি বনভূমির গাছপালা কর্তন বনভূমি জবর-দখলের অভিযোগ আছে বলে জানিয়েছেন হিমছড়ির সচেতন মহল । অসাধু বন কর্মকর্তা তারেক রহমান এর মত বনভূমির চাকরিতে দীর্ঘদিন যদি বহাল থাকে তাহলে বনাঞ্চল গ্রাম অঞ্চলে পরিণত হবে। তদন্ত পূর্বক সরেজমিনে গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর

MD

Customized BY NewsTheme