1. bangladeshbartatelevision@gmail.com : admin :
  2. ridoyhasanjoy@gmail.com : Reporter-1 :
  3. journalistrhasan@gmail.com : Reporter-2 :
  4. bangladeshbarta1@gmail.com : Reporter-3 :
  5. abdullah957980@gmail.com : Ramjan Bhuiyan : Ramjan Bhuiyan

ভোলায় করোনা ভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে

  • রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

মো:আল-আমিন (চরফ্যাশন) ভোলা প্রতিনিধি:

আজ (৭ ফেব্রুয়ারি)ভোলায় করোনা ভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উদ্বোধনী দিনে জেলায় করোনা ভ্যাকসিন নেয়ার জন্য ৩২৭ জন নিবন্ধন করলেও টিকা নিয়েছেন ২৪৮ জন। এর মধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় ৯০ জন, দৌলতখানে ৬ জন, বোরহানউদ্দিনে ৫১ জন, লালমোহনে ২৩ জন,তজুমদ্দিনে ১০জন, চরফ্যাশনে ৫৮ জন ও মনপুরাতে ১০ জন করোনা ভ্যাকসিনের টিকা গ্রহন করেন।জেলায় প্রাথমিক ভাবে ১৬ টি বুথের মাধ্যমে এই টিকা দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। জেলায় প্রথম দিনে করোনার টিকা গ্রহন করেন ভোলার সাবেক সিভিল সার্জন ডা: রথীন্দ্রনাথ মজুমদার। ভ্যকসিন নিয়ে সবাই সুস্থ রয়েছেন। এর আগে ভোলা সদর হাসপাতালে করোনা ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো: মাসুদ আলম ছিদ্দিক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রোখেন,জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মমিন টুলু, জেলা পুলিশ সুপার সরকার মো: কায়সার, জেলা সিভিল সার্জন ডা: সৈয়দ রেজাউল ইসলাম,হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা: সিরাজউদ্দিন প্রমুখ। একইসাথে জেলার অন্য ৬ উপজেলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভ্যকসিন প্রদান করা হয়। ভোলা জেলা সিভিল সার্জন ডা: সৈয়দ রেজাউল ইসলাম জানান, জেলায় প্রথম ধাপে ৬০ হাজার ডোজ করোনার ভ্যকসিন এসেছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১৫ হাজার ডোজ, চরফ্যাশনে ১২ হাজার, বোরহানউদ্দিন, লালমোহন,দৌলতখান উপজেলায় ৯ হাজার ডোজ করে ২৭ হাজার ও তজুমদ্দিন ও মনপুরায় ৬ হাজার করে মোট ১২ হাজার ডোজ ভ্যকসিন দেয়া হবে ৩০ হাজার মানুষের মাঝে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩ পর্যন্ক টিকা প্রদান চলবে। সরকারের নির্দেশনা অনুয়ায়ী যাদের কথা বলা হয়েছে তারাই রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে প্রথম ধাপে টিকা পাবেন বলে জানান জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান এ কর্মকর্তা। কারণ বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অল্পকিছু দেশে এ ভ্যকসিন দেয়া হচ্ছে।
জেলার প্রথম করোনার ভ্যকসিন গ্রহনকারী ভোলার সাবেক সিভিল সার্জন ডা: রথীন্দ্রনাথ মজুমদার বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত ভ্যকসিন গ্রহণ করতে পেরে। করোনার থেকে সুরক্ষার জন্য ভ্যকসিন একটি ওষুধ। এছাড়াও তার স্ত্রী মিনারা মজুমদারও তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে সদর হাসপাতালে ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন।অপর ভ্যাকসিন নেয়া প্রফেসার ডা: খাদিজা বেগম বলেন, এখন আর করোনার আতংকে থাকতে হবেনা। নিজেকে নিরাপদ মনে হচ্ছে। তিনি সুস্থ ও ভালো আছেন বলেও জানান।

এই ভ্যাক্সিনেশন কার্যক্রমে ৪জন নার্সের সাথে ৮ জন রেড ক্রিসেন্ট এর সদস্য স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।।।

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর

MD

Customized BY NewsTheme