1. bangladeshbartatelevision@gmail.com : admin :
  2. ridoyhasanjoy@gmail.com : Reporter-1 :
  3. journalistrhasan@gmail.com : Reporter-2 :
  4. bangladeshbarta1@gmail.com : Reporter-3 :
  5. abdullah957980@gmail.com : Ramjan Bhuiyan : Ramjan Bhuiyan

ডিমলায় ধান উৎপাদন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি।

  • রবিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২০

মো: জহুরুল ইসলাম
ডিপলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।

 

চলতি রোপা আমন মৌসুম নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় লক্ষমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে আমন ধান কাটা।

কৃষকরা ফলনও ভালো পেয়েছেন। ফলন ভালো পাওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে সোনালি হাসি।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়,
চলতি মৌসুমে ডিমলা উপজেলায় ৮০ হাজার ৮ শত ৫০ মেট্রিকটন আমন ধান উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এবছর উপজেলায় ১৯ হাজার ৯ শত ১০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে।

এবার পোকা মাকড়ের আক্রমণ ছিল স্বাভাবিক তার পরেও ফলনও ভালো হয়েছে। ইতিমধ্যেই আমন ধান পাকতে শুরু করেছে। শুরু হয়েছে ধান কাটাও।

সদর উপজেলার কৃষক মোমতাজ আলী জানান, এবছর ধানের ফলন ভালো হয়েছে। এছাড়া ধানের খড়ও এখন গরুর খাদ্য হিসেবে বেশি দামে বিক্রি করতে পারছি তাতেও বেশ লাভবান হচ্ছি আমরা।

ডিমলা উপজেলার উত্তর তিতপাড়া-১ মুন্সিপাড়া গ্রামের কৃষক রবিউল জানান, আমরা গুটি সন্ন ধানের আবাদ করেছিলাম। ধান পেকেছে, ধান কাটা শুরু করেছি। ফলনও ভালো পাচ্ছি। দামও বেশ ভালো।

একই এলাকার কৃষক রফিয়ার জানান, আমি মামুন সন্ন ধানের চাষ করেছি। এ ধান আগাম পাকে। ধান পেকেছে। কাটতে শুরু করেছি। এবার ধানের ফলন ভালোই পাচ্ছি।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সেকেন্দার আলী জানান,

এবছর আবহাওয়া ভালো থাকায় পোকা-মাকড়ের সংক্রমণ দেখা যায়নি। ফলে উৎপাদন লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছি।

তিনি আরো বলেন- এ চাষ সফল করার লক্ষে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষিকদের মাঝে উন্নত জাতের বীজ, সার ও কীটনাশকসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য কৃষি উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করেছে।

এছাড়া, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কৃষকদের মাঝে প্রয়োজনীয় ঋণ সহায়তা প্রদান করেছে।

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর

MD

Customized BY NewsTheme