1. bangladeshbartatelevision@gmail.com : admin :
  2. ridoyhasanjoy@gmail.com : Reporter-1 :
  3. journalistrhasan@gmail.com : Reporter-2 :
  4. bangladeshbarta1@gmail.com : Reporter-3 :
  5. abdullah957980@gmail.com : Ramjan Bhuiyan : Ramjan Bhuiyan
প্রধান খবর
গুরুদাসপুরে মাদক, সন্ত্রাস ও সাইবার ক্রাইম রোধে মতবিনিময় সভা নাটোরে চাঁদার জন্য আঙ্গুলের নখ উপড়ে ফেললো যুবলীগ : আটক ২ সিংড়ায় ব্যবসায়ীকে মারপিটে এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মানববন্ধন রহনপুর রেলস্টেশন পরিদর্শন করলেন নেপালের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক মেয়র মিরাজুল ইসলাম প্রামাণিক পাঁচবিবিতে দুদু এমপির রোগ মুক্তির কামনায় পৌর আওয়ামীলীগের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে গাঁজাসহ একজন গ্রেফতার নাচোলে অভিনব কৌশলে মাদক পাচারকালে ডিএনসির হাতে ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার ২ রাজশাহীতে সেনা সদস্য আত্মহত্যায় বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ শিক্ষিকা গ্রেপ্তার গফরগাঁওয়ে গরু চোর ও পাঁচ জুয়াড়ি আটক

প্রতিনিয়ত বাড়ছে কাঁচা বাজারের দর হিমসিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ

  • বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০

 

বাংলাদেশ বার্তা ডেস্কঃ-

 

 

গত কয়েকদিন যাবৎ বেড়ে চলছে কাঁচা বাজার সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম। বর্তমানে প্রতি কেজি মোটা চাউল বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫২ টাকায়। যা এক মাস আগেও ছিল ৪২-৪৫ টাকা। সেই সাথে বেড়েছে পেয়াজের দাম। বর্তমানে প্রতি কেজি পেয়াজের মূল্য ৯০-১০০ টাকা, আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০-৬০ টাকা, বেগুন ৯০-১০০টাকা, কাচা মরিচ ২০০-২৫০ টাকা, সীম ২৪০ টাকা, করোলা ৮০ টাকা, মিষ্টি লাউ ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেই সাথে বাড়ছে মাছের দাম। এ বিষয়ে রিক্সাচালক মজনু বলেন, ভাই আমরা প্রতিদিন ৩০০-৪০০ টাকা রোজগার করি। বাজারে গিয়ে মাছ কিনতে পারি না কাচা বাজারের মূল্যের কারনে। আমার সংসারে প্রতিদিন ২ কেজি চাউলের প্রয়োজন হয়। যার দাম পড়ে ১০০ টাকা। আমরা খুব কষ্টে জীবনযাপন করছি। কাচা মালের বিক্রেতা মেরাজ বলেন, আমরা আরৎদার থেকে পাইকারী দরে বেশি মূল্যে পন্য ক্রয় করি। যার কারনে আমাদের বেশি মূল্যেই বিক্রি করতে হয়। সেই সাথে রয়েছে বিভিন্ন সমস্যা। যার মধ্যে রয়েছে কাচা মাল পচে যাওয়া। আমরা যদি পাইকারী বাজারে কম মূল্যে পণ্য কিনতে পারি তাহলে খুচরা বাজারেও কম মূল্যে বিক্রি করতে পারব। নারিকেলী গ্রামের কৃষক ছাত্তার বলেন, আমি এক একর জমিতে দুই বার ধান রোপন করেছি। গত বন্যায় সমস্ত ধান নষ্ট হয়ে গেছে। কিভাবে আমি সারাবছর চলব আমার জানা নেই। সেই সাথে প্রতিনিয়ত বাড়ছে বাজারের জিনিসের মূল্য। বাজার করতে পারছি না। আছি খুবই কষ্টে। হাজীপুর বাজারের সবজি বিক্রি করতে আসা কৃষক মনু মিয়া বলেন, বন্যায় আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে যে সবজি রয়েছে তা তুলনামুলক খুবই কম, তবে বাজারে সবজির দাম ভালো রয়েছে।

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর

MD

Customized BY NewsTheme