1. bangladeshbartatelevision@gmail.com : admin :
  2. ridoyhasanjoy@gmail.com : Reporter-1 :
  3. journalistrhasan@gmail.com : Reporter-2 :
  4. bangladeshbarta1@gmail.com : Reporter-3 :
  5. abdullah957980@gmail.com : Ramjan Bhuiyan : Ramjan Bhuiyan
প্রধান খবর
পানছড়িতে জীবন বৃত্তান্ত জমা দিলেন নৌকার ১২ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী দুর্গাপুরে ইউপি নির্বাচনে বিজয়ী আওয়ামী লীগ ৩, স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪ লালমোহনের চরছকিনা রেনু গংদের সঠিক কাগজপত্র থাকার পরও জমি বেদখল করতে মরিয়া আবুল কালাম গংরা রাজাপুরে রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাথে অপরাজিতাদের মতবিনিময় সভা বরিশালে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান -বিএমপি পুলিশ কমিশনার ননদ-ভাবীর ইউপি নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ননদ বিজয়ী বরিশালে অবৈধ অটোরিকশা নির্মান চলাচল বন্ধের কঠোরভাবে মাঠে নেমেছে বিআরটিএ পানছড়িতে ৩ বিজিবির উদ্যোগে আর্থিক সাহায্য ও অনুদান প্রদান লৌহজংয়ে সীমানা বিরোধকে কেন্দ্র করে গাছ কেটে নিল প্রতিবেশী।।বাধা দেওয়ায় প্রাণনাশের হুমকি কুলিয়ারচরে ৫ ইউপিতেই নৌকা মাঝিরা বিপুল ভোটে বিজয়

নদীতে মাছ নেই, সারাদিন জাল বাইয়া ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে

  • রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০

মো:আল-আমিন(চরফ্যাশন) ভোলা প্রতিনিধি:

ভাবছিলাম অভিযানের পর ইলিশ মিলবে ভালো, কিন্তু নদীতে মাছ নাই। সারাদিন জাল বাইয়া ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে। গত এক সপ্তাহে জাল বাইয়া মাত্র চার হাজার টাকার মাছ পাইছি। নদীতে মাছ না পাওয়ায় অভাব-অনটনের মধ্যে আছি। মেঘনায় ইলিশ না পাওয়া নিয়ে কাছে কথাগুলো বলছিলেন বশির মাঝি।

জেলে হারুন মাঝি বলেন, নদীতে মাছ নাই, তাই মাছ ধরতে যাওয়ারও আগ্রহ কুইমা (কমে) গেছে। গত দুইদিন নদীতে যাইয়া ৮শ থেকে ১ হাজার টাকার মাছ পাইছি। গত কয়েকদিনে অনেক টাকা দেনা হইয়া গেছি। এমন হইলে
কীভাবে দিন কাটবো?

নদীতে ইলিশ সংকট নিয়ে এমন সমস্যা শুধু বশির ও হারুন মাঝির নয়, এমন সমস্যা এখন ভোলার বেশির ভাগ জেলের। ভোলার মেঘনায় মিলছে না ইলিশ। সারাদিন জাল বেয়ে কাক্সিক্ষত পরিমাণ মাছ পাচ্ছেন না জেলেরা। এতে অভাব আর অনিশ্চয়তার মধ্যদিয়ে দিন কাটছে তাদের। পরিবার-পরিজন নিয়েও পড়েছেন দুশ্চিন্তায়।

জেলেরা জানান, প্রতি বছরই অভিযানের পর নদীতে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়তো। কিন্তু এবার ভরা মৌসুমে ইলিশ ধরা পড়ছে না। এতে দুর্দিন চলছে জেলেদের।
এদিকে মাছ না পাওয়ায় ইলিশের ঘাটগুলোতেও কোলাহল কমে গেছে। জেলে, পাইকার ও আড়তদারদের হাক-ডাকে যেসব ঘাট মুখরিত থাকতো, সে সব ঘাট এখন অনকেটাই নিস্তব্ধ। ইলিশ না পাওয়ায় ও দাদনের দায়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত জেলেদের এখন মলিন মুখ।

ভোলা সদরের তুলাতলী এলাকার কাসেম মাঝি বলেন, নদীত মাছ খুবই কম, তেল খরচও ওঠে না। মাছ পাওয়ার আশায় ৫ জেলে নিয়ে নদীতে গিয়ে পেয়েছি মাত্র ৭শ টাকার মাছ, এতে আমাদের পুষছে না। পরিবার নিয়ে অভাবে দিন কাটছে।

ইলিশা বিশ্বরোড এলাকার মৎস্য আড়তদার মো. সামসুদ্দিন বলেন, গত এমন দিনে আমাদের এখানকার আড়তগুলোতে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকার মাছ কেনা-বেচা হতো। কিন্তু এখন হচ্ছে মাত্র ১ লাখ টাকার। এতে আমাদের মতো জেলেরাও লোকসানের মুখে পড়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভোলার জেলেদের ধরা মাছ স্থানীয় আড়তে বিক্রি হয়। সেখান থেকে ঢাকা, বরিশাল ও চাঁদপুরের পাইকারি বাজারে চলে যায়। কিন্তু ইলিশ সংকটের কারণে লোকসানের মুখে মৎস্যজীবীরা। স্থানীয় বাজারেও ইলিশ মিলছে না।

এ ব্যাপারে ভোলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, নভেম্বর মাসের শেষ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক মাস সাধারণত তেমন মাছের ধরা পড়ে না, তবে জানুয়ারি থেকে মাছ ধরার পড়বে বলে আমরা মনে করছি।
তিনি বলেন, এবার আমাদের ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিক টন। জানুয়ারি থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরার পড়লে, আশা করি ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্র অর্জিত হবে।

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর

MD

Customized BY NewsTheme