1. bangladeshbartatelevision@gmail.com : admin :
  2. ridoyhasanjoy@gmail.com : Reporter-1 :
  3. journalistrhasan@gmail.com : Reporter-2 :
  4. bangladeshbarta1@gmail.com : Reporter-3 :
  5. abdullah957980@gmail.com : Ramjan Bhuiyan : Ramjan Bhuiyan
প্রধান খবর
গুরুদাসপুরে মাদক, সন্ত্রাস ও সাইবার ক্রাইম রোধে মতবিনিময় সভা নাটোরে চাঁদার জন্য আঙ্গুলের নখ উপড়ে ফেললো যুবলীগ : আটক ২ সিংড়ায় ব্যবসায়ীকে মারপিটে এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মানববন্ধন রহনপুর রেলস্টেশন পরিদর্শন করলেন নেপালের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক মেয়র মিরাজুল ইসলাম প্রামাণিক পাঁচবিবিতে দুদু এমপির রোগ মুক্তির কামনায় পৌর আওয়ামীলীগের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে গাঁজাসহ একজন গ্রেফতার নাচোলে অভিনব কৌশলে মাদক পাচারকালে ডিএনসির হাতে ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার ২ রাজশাহীতে সেনা সদস্য আত্মহত্যায় বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ শিক্ষিকা গ্রেপ্তার গফরগাঁওয়ে গরু চোর ও পাঁচ জুয়াড়ি আটক

গুরুদাসপুর পৌরসভার নির্বাচনী আদ্যপ্রান্ত

  • শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২১

ইমাম হাছাইন পিন্টু নাটোর:

নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার সাবেক গুরুদাসপুর ইউনিয়ন পরিষদকে পৌরসভায় রুপান্তরিত করা হয় ১৯৯১ সালে।

৯টি ওয়ার্ড ও ৩টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত পৌর সভার আয়তন১১.৪৩ বর্গ কিলোমিটার। বর্তমানে মোট ভোটার ২৫ হাজার ৪জন।এর মধ্যে পুরুষ ১২ হাজার১৬৫ ও মহিলা ভোটার ১২ হাজার ৮৩৯ জন।

১২টি ভোট কেন্দ্রে বুথের সংখ্যা ৭১টি। এরমধ্যে অস্থায়ী বুথ সংখ্যা ১৬টি। এটি পৌরসভায় ৬ষ্ঠ নির্বাচন। এ নির্বাচনে মেয়রপদে ৬ কাউন্সিলর পদে ৩৯ ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৪ জন প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করছেন।

ফিরে দেখা ১ জানুয়ারী ১৯৯২ সাল থেকে ১৯৯৩ সালের ২০ মার্চ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।পৌর প্রশাসক,নির্বাচিত চেয়ারম্যান/ মেয়রগনের নাম ও মেয়াদকাল নির্বাচনের আগে এমএ খালেক ও মইনুল হক গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন

১৯৯৩ সালের ২০ মার্চ থেকে ১৯৯৯ সালের ২৪ মার্চ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন মোঃ মশিউর রহমান বাবলু মোমবাতি প্রতীকে গুরুদাসপুর পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

২৫ মার্চ ১৯৯৯ সালে চাকা প্রতীকের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসাবে ক্ষমতায় বসেন আমজাদ হোসেন। তিনি ২০০৪ সালের ২৪ মে পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন।

২০০৪ সালের মে মাসে তৃতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সে নির্বাচনে মশিউর রহমান বাবলু পৌর পিতা নির্বাচিত হন মোমবাতি প্রতীক নিয়ে। তিনি ২০১১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

২০১১ / ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে চতুর্থ / পঞ্চম নির্বাচনে দেয়ালঘড়ি / নৌকা প্রতিক নিয়ে নির্বাচিত হন বর্তমান মেয়র মো. শাহনেওয়াজ আলী। তিনি ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১১ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত টানা ২ মেয়াদে বর্তমান সময় পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন।

২০২১সালের ১৬ জানুয়ারী শনিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৬ষ্ঠ পৌর নির্বাচন। এ নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন। শাহনেওয়াজ আলী নির্বাচিত হলে তিনিই হবেন একমাত্র ব্যাক্তি যিনি হ্যাট্রিক করে টানা ক্ষমতায় তিনবার ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড গড়বেন।

একনজরে ২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারী নির্বাচনঃ

শৃঙ্খলা রক্ষায়..কেন্দ্র সংক্রান্তঃ
১৬ জানুয়ারী গুরুদাসপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডের ১২টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহন চলবে।

১২টির মধ্যে ৬টি(***)কেন্দ্র অত্যাধিক ঝুকিপুর্ন। সেগুলো হলো-শহীদ সামসুজ্জোহা সরকারী কলেজ,কলেজ ছাত্রাবাস,খলিফা পাড়া দাখিল মাদরাসা,শিক্ষা সংঘ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, আনন্দ নগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চাঁচকৈড় নাজিম উদ্দিন স্কুল এ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র।

৪টি(**) কেন্দ্র অধিক ঝুকিপুর্ন। সেগুলি হলো পার-গুরুদাসপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রোকেয়া স্কুল এ্যান্ড কলেজ,চাঁচকৈড় মধ্যম পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গারিষা পাড়া জামিয়াতুল ইসলামীয়া মাদরাসা।

কেন্দ্রগুলোর দায়িত্বে থাকবেনঃ
পাঁচস্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনিতে অনুষ্টিত হচ্ছে গুরুদাসপুর পৌরসভা নির্বাচন। ভোট উৎসবমুখর ও নিবিঘ্ন করতে ব্যাবের ২টি ভ্রাম্যমান টহল টিম, ৪প্লাটুন বিজিবি(৮০জন)সদস্য, পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে থাকবেন । এর সাথে ৩৬ জন মহিলা ও ৭০ জন পুরুষ আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন নিরাপত্তার দায়িত্বে। এছাড়াও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের ভ্রাম্যমান দল নির্বাচনের আইনগত দিক দেখবেন।

১২জন প্রিজাইডিং অফিসার,৭১ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১৪২ জন পোলিং অফিসার ভোটগ্রহনের দায়িত্বে থাকবেন।

ওয়ার্ড পরিক্রমাঃ
১ নম্বর ওয়ার্ড
উত্তর নারিবাড়ী ও নারায়নপুর মহল্লার (একাংশ) নিয়ে ১ নম্বর ওয়ার্ড গঠিত। এ ওয়ার্ডে মোট ভোটার ৩ হাজার ২৮০জন। তারমধ্যে ২ হাজার ৪৫২ জন উত্তর নারিবাড়ী এবং ৮২৮ জন ভোটার নারায়নপুর মহল্লার বাসিন্দা। তারা সবাই গুরুদাসপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ৬ জন। এ ওয়ার্ডে বুথ ৯ টি।

২ নম্বর ওয়ার্ড ঃ
গুরুদাসপুর ও পার-গুরুদাসপুর মহল্লা নিয়ে একটি ২ নম্বর ওয়ার্ড গঠিত। এ ওয়ার্ডে কেন্দ্র দুটি। ৩টি করে বুথ নিয়ে গুরুদাসপুর দাখিল মাদরাসা কেন্দ্র ও পার-গুরুদাসপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র। গুরুদাসপুর দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের ভোটার ১ হাজার ১৬২জন এবং পার-গুরুদাসপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার ১ হাজার ৯২জন। এ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ৪ জন।

৩ নম্বর ওয়ার্ড ঃ
খামারনাঁচকৈড় মহল্লার ২ হাজার ৯৩১ ভোটার নিয়ে ৩ নম্বর ওয়ার্ড গঠিত। ওই ওয়ার্ডের ৪ জন কাউন্সিলরের মধ্য থেকে একজনকে নির্বাচিত করতে রোকেয়া স্কুল ও কলেজ কেন্দ্রে ভোটারদের প্রতীক্ষা। এ কেন্দ্রে বুথ সংখ্যা ৮টি।

৪ নম্বর ওয়ার্ড ঃ
চাঁচকৈড় কাঁচারী পাড়া ও চাঁচকৈড় খলিফা পাড়া মহল্লার সমন্বয়ে ৪ নম্বর ওয়ার্ড গঠিত। এ ওয়ার্ডে কেন্দ্র দুটি। ৩টি বুথ নিয়ে চাঁচকৈড় কাঁচারী পাড়া মহল্লার ভোটকেন্দ্র বিলচলন শহীদ সামসুজ্জোহা কলেজ। এ কেন্দ্রে ভোটার ১ হাজার ১৪৬জন।
অন্যদিকে ৬টি বুথ নিয়ে চাঁচকৈড় খলিফা পাড়া মহল্লার কেন্দ্র রেজাউল করিম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্র। দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোটার ২ হাজার ৮৫জন। এ ওয়ার্ডে সবচেয়ে কম ২ জন কাউন্সিলর প্রার্থী।

৫ নম্বর ওয়ার্ড ঃ
চাঁচকৈড় কাঁচারী পাড়া,বাজার পাড়া ও হাট পাড়া নিয়ে গঠিত ৫ নং ওয়ার্ড। ৬টি স্থায়ী ৪টি অস্থায়ী বুথ নিয়ে ভোটারদের কেন্দ্র শহীদ সামসুজ্জোহা কলেজ ছাত্রাবাস। ৩টি মহল্লার ভোটার ৩ হাজার ৩৭৭। তার মধ্যে কাঁচারী পাড়া ৮৩১,বাজার পাড়ার ২হাজার ৪৫৮ এবং হাট পাড়ার ভোটার ৮৮জন। এ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ৫ জন।

৬ নম্বর ওয়ার্ড ঃ
চাঁচকৈড় পুরানপাড়া ও চাঁচকৈড় বাজার পাড়া মহল্লা নিয়ে ৪ নম্বর ওয়ার্ড গঠিত। এ ওয়ার্ডে কেন্দ্র দুটি। একটি মহিলা ও একটি পুরুষ ভোটারদের জন্য। এ ওয়ার্ডে মোট ভোটার ২ হাজার ৪০৮জন।
৪টি স্থায়ী ও ১টি অস্থায়ী বুথ নিয়ে চাঁচকৈড় শিক্ষা সংঘ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র। এ কেন্দ্রে পুরান পাড়ার ৯৭৯ ও বাজার পাড়ার ২৮১ জন মহিলা ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন।

অন্যদিকে ৩টি বুথ নিয়ে চাঁচকৈড় নাজিম উদ্দিন স্কুল এ্যান্ড কলে

কলেজ কেন্দ্র। এ কেন্দ্রে পুরান পাড়ার ৮৬৯ ও বাজার পাড়ার ২৭৯ জন পুরুষ ভোটার ভোট দেবেন ৪জন প্রার্থী থেকে একজনকে নির্বাচিত করতে।

৭ নম্বর ওয়ার্ড ঃ
চাঁচকৈড় পুরান পাড়া (একাংশ) ও মধ্যম পাড়া নিয়ে গঠিত ৭ নম্বর ওয়ার্ড। ৭টি স্থায়ী ৪টি অস্থায়ী বুথ নিয়ে ভোটারদের কেন্দ্র মধ্যম পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র। ২টি মহল্লার মোট ভোটার ২ হাজার ৫৪৪ জন। তার মধ্যে পুরান পাড়া ১২১ ও মধ্যম পাড়া ২ হাজার ৪২৩ জন ভোটার। এ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ৩ জন।

৮ নম্বর ওয়ার্ড ঃ
চাঁচকৈড় গাড়িষা পাড়া,পুরান পাড়া ও বামনকোলা মহল্লা নিয়ে ৮ নম্বর ওয়ার্ড গঠিত। এ ওয়ার্ডে মোট ভোটার ২ হাজার ৬৯৬জন।
৮টি স্থায়ী ও ৪টি অস্থায়ী বুথ নিয়ে গাড়িষা পাড়া জামিয়াতুল ইসলামীয়া মাদরাসা কেন্দ্র। এ কেন্দ্রে গাড়িষা পাড়ার ১৮৭৭,পুরান পাড়ার৩৪৭ ও বামনকোলার ৪৭১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে ৬জন কাউন্সিলর প্রার্থী থেকে তাদের পছন্দের একজনকে নির্বাচিত করবেন।

৯ নম্বর ওয়ার্ড
আনন্দনগর মহল্লার ২ হাজার ২৮৩জন ভোটার নিয়ে ৯ নম্বর ওয়ার্ড। ৭টি স্থায়ী ৩টি অস্থায়ী বুথ নিয়ে ভোটারদের আনন্দনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র। এ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ৫ জন।

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর

MD

Customized BY NewsTheme