1. bangladeshbartatelevision@gmail.com : admin :
  2. ridoyhasanjoy@gmail.com : Reporter-1 :
  3. journalistrhasan@gmail.com : Reporter-2 :
  4. bangladeshbarta1@gmail.com : Reporter-3 :
  5. abdullah957980@gmail.com : Ramjan Bhuiyan : Ramjan Bhuiyan
প্রধান খবর
পুলিশের বিরুদ্ধে মাদক দিয়ে হয়রানির অভিযোগ শায়েস্তাগঞ্জে গরু চুরির কাজে ব্যাবহারকৃত গাড়ি উদ্ধার বিশ্বনাথে মধ্যমবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ১ম সেমিফাইনাল সম্পন্ন কাঠালিয়ায় দেশীয় প্রজাতির পোনামাছ অবমুক্ত নাজিরপুরের শ্রীরামকাঠী বন্দরে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক এর উপ শাখার উদ্বোধন লালমোহনে উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে নবাগত নির্বাহী অফিসারের মতবিনিময় সভা বরিশালে অসহায় মানুষের মাঝে চেক বিতরন করেন জেলা প্রশাসক খেলাধুলা ভবিষৎ প্রজন্মকে সুস্থ, সবল ও সৎ পথে রাখে, ওসি আনচারুল করিম কুমিল্লা-৭ চান্দিনা আসনে প্রাণ গোপাল দত্তকে বিজয়ী ঘোষণা ফুলবাড়ীতে ১৭৫ বোতল ভারতীয় মাদক এস্কাপসহ আটক-১

বেকার শিক্ষিত ছেলেদের কিছু না বলা কথা

  • মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২১

নু-আলাম:
নিম্ন মধ্যভিত্ত অথবা শুধু মধ্যভিত্ত পরিবারের ছেলেদের
ছাত্র জিবন কাটে খুবই দৈন্যদশায়। ছাত্র জিবন থেকে অর্থ উপার্জনের দিকে ধাবিত হতে হয়।বেশিরভাগ ছাত্রদের ক্ষেত্রে নিজের পড়াশোনার খরচ নিজেকেই যোগাড় করতে হয়।আর এই অবস্থায় কেউ যদি ভুলে প্রেমের মায়া জালে ফেসে যায় তাহলে তার পরিণতি খুবই ভয়াবহ।শরীরের বড় ধরণের অসুস্থতা না হলে, সেই অসুস্থ শরীর নিয়ে দৈনন্দিন প্রায় সব কাজই অপকটে করা যায়। কিন্তু মানসিক অসুস্থ হলে কোনো কাজেই মনযোগ দিয়ে করা যায় না।

ছাত্র জিবন কোনোমতে মানসিক চাপ ছাড়াই কাটিয়ে দেওয়া যায়। জিবনের কঠিন খেলেটা শুরু হয় গ্রেজুয়েশন শেষ করার সাথে সাথে। জিবন যে কত কঠিন তখনি বুঝা যায়।এই লক্ষ লক্ষ গ্রেজুয়েটের মাঝে এতো বড় জনবহুল দেশে সহজে চাকুরি পাওয়াটা অনেকটা আকাশ কুসুম চিন্তা করার মত যদিনা সে অত্যাধিক মেধাবী হয়।

বাবা-মার কথাঃ-
আমাদের অল্প শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিত বাবা-মার এবং প্রতিবেশিদের ধারণা প্রতিষ্ঠানিক পড়াশোনা শেষ করা মানিই বড় চাকুরিপাওয়া।
বাবা-মার প্রশ্ন কিরে বাবা তোর চাকুরির কি খবর?
পড়াশোনা শেষ এখনতো টাকা উপার্জন করবি সংসার চালাবি।
সময় যায় বাবা-মার ধৈর্য শেষ হয়ে যায় ছেলের চাকুরির খবর নেই।তখন বাবা-মা প্রতিবেশীদের খোচানো কথা শোনে আরো বিরক্ত হয়ে গিয়ে ছেলেকে কথা শোনাতে থাকে এতো পড়াশোনা করে কি লাভ?
তোর সাথে পড়া অনেকেই ক্লাস নাইন-টেইন পাশ করে বিদেশ গিয়া লাক্ষ লাক্ষ টাকা কামাইয়া আসছে এখন বিয়া করে খুব শান্তিতে সংসার করতেছে আর তুই এখনো চাকুরিই খোঁজতেছোছ।এই পড়াশোনা করে কি লাভ?

প্রতিবেশীদের কথাঃ-
কিরে তোর না পড়াশোনা শেষ কি করস এখন?
চাকুরি খোঁজে কি করবি এখনতো মামা-খালু আর টাকার যুগ এগুলো ছাড়াতো চাকুরি হয় না।
তাদের অগোচরে এতো পড়াশোনা করা দরকার নেই ওমোকের পোলা এতো পড়াশোনা করে এখন বেকার ঘুরে,”ওর মত বেকার হবি?”

এলাকার ছোটো-বড় ভাইদের কথাঃ-
কিরে চাকুরির খবর কি? ছোট ভাইদের প্রশ্ন, কি ভাই এইবার বিয়াটা করেন বয়সতো কম হলো না। আপনেও বিয়াটা করেন আমাদেরও রাস্তাটা ক্লিয়ার করেন, আপনি করলেইতো আমরা করতে পারি। তাছাড়া আপনার সাথের বেশিরভাগ বন্ধুরা বিয়ে করে ফেলেছে আর আপনি এখনো করেন না কেন?

প্রেমিকার কথাঃ-
আর কত অপেক্ষা করবো, আমি আর অপেক্ষা করতে পারবো না,বাড়ি থেকে অনেক চাপ দিচ্ছে। তুমি তোমার চাকুরি খোঁজতে থাক আমি চললাম।

এবার আসা যাক শিক্ষিত বেকারদের ভাবনাঃ-
ঈদে/পূজায় সবার মত শিক্ষিত বেকারের খুব ইচ্ছে হয়
বাবা-মা,ভাই-বোন, বোনের ছেলে মেয়েদের জন্য ভাইয়ের ছেলে মেয়েদের জন্য নতুন নতুন জামা-কাপড় কিনে দিতে।ইচ্ছে হয় নতুন টাকা ঈদ/পূজায় সালামি হিসেবে দিতে।তাদেরও ইচ্ছে হয় বাবাকে বলতে যে,বাবা আর কাজে যেও না এখন থেকে সংসারের হাল আমিই ধরলাম।তাদেরও ইচ্ছে হয় শহর থেকে গ্রামে ফেরার সময় হাত ভর্তি ফল-মুল আনতে।তাদেরও ইচ্ছে হয় বিয়ে করে সংসার করতে।
শিক্ষিত বেকারদের ভাবতে হয়, এই বুঝি প্রেমিকার বিয়ে হয়ে গেলো।অবশেষে প্রেমিকার বিয়ে হয়েই যায়।প্রেমিকা না পাওয়ার বেদনায় একজন শিক্ষিত বেকারের অবস্থা ঠিক যেন যুদ্ধ পরর্বতী একটি রাষ্ট্রের মত হয়ে যায়।বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা, একজন শিক্ষিত বেকারের সবচেয়ে অপছন্দের এবং খারাপ লাগার প্রশ্ন হচ্ছে যখন কেউ তার চাকুরির ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করে।প্রতিবেশী, আত্নীয় -স্বজন ছোটো -ভাই, বড় ভাই, ও বাবা-মার চাকরির প্রশ্ন শোনতে শোনতে শিক্ষিত বেকার অনেকটা হতাশ হয়ে যায়।
শিক্ষিত বেকারকে ভাবতে হয় চাকুরির মেয়াদ চলে যাচ্ছে।বাবা-মার বয়স হয়ে গেছে যেকোনো সময় মারা যেতে পারে।ভাবতে জীবিত অবস্থায় তাদের জন্য কিছু করা বুঝি হল না। ছোট বোনের বিয়ের ব্যবস্থা করতে হবে,প্রেমিকা হারানোর বেদনা,নিজের থাকা খাওয়ার জন্য অর্থ যোগাতে হবে।
পড়াশোনা হচ্ছে গভীর মনযোগের ব্যাপার এতোসব চিন্তা ভাবনার মাঝে কি করে একটা ছেলে মনযোগ দিয়ে পড়াশোনা করবে।
আপনারা বিশ্বাস করবেব কিনা জানিনা,এখনো অনেক শিক্ষিত বেকার আছে যারা পরিবারের জন্য নতুন জামা-কাপড় কিনে নিতে পারবেনা বলে ঈদে বাড়ি যায় না।চাকুরির প্রশ্ন তুলবে বলে বছরের পর বছর শহরে কাটিয়ে দেয় বাড়ি না গিয়ে।

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর

MD

Customized BY NewsTheme